সুউচ্চ দুই ভবন। একটির নাম এইচটুও হলি ফেইথ। আরেকটির নাম আলফা স্রিন। নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের মাধ্যমে আজ শনিবার প্রথমে ধুলায় পরিণত হলো এইচটুও হলি ফেইথ। এর কয়েক মিনিট পর একই পরিণতি হয় দ্বিতীয় ভবনটির। ভারতের কেরালার কোচিতে এ ঘটনা ঘটে।

পরিবেশ আইন অমান্য করে সাগরপাড়ে গড়ে তোলা হয়েছিল চারটি বিলাসবহুল বহুতল ভবন। সুপ্রিম কোর্টের রায়ে এগুলো ভাঙার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরিবেশ আইন অমান্যকারীদের প্রতি কঠোর মনোভাব দেখানোর অংশ হিসেবে প্রশাসন ভবন চারটি ভেঙে ফেলতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞা ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় আজ নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরকের মাধ্যমে প্রথমে এইচটুও হলি ফেইথ ভবনটি ভাঙা হয়। মুহূর্তেই গুঁড়িয়ে যায় ১৯ তলা বিশিষ্ট ভবনের ৯০টি ফ্ল্যাট। আগেই সেখান থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হয়।

বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, এরপর ভাঙা হয় আলফা স্রিন টুইন টাওয়ার। বাকি দুটি ভবন আগামীকাল রোববার ভাঙা হবে। ভবন দুটি ভাঙার সময় আশপাশের দুই হাজার বাসিন্দাকে সরিয়ে নেওয়া হয়।

ভারতের কেরালার কোচিতে পরিবেশ আইন অমান্য করে বানানো দুটি ভবন আজ শনিবার বিস্ফোরকের মাধ্যমে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। ছবি: এএফপি
পরিবেশ আইন অমান্য করায় উড়িয়ে দ্বিতল বিল্ডিং


ভারতের কেরালার কোচিতে পরিবেশ আইন অমান্য করে বানানো দুটি ভবন আজ শনিবার বিস্ফোরকের মাধ্যমে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। ছবি: এএফপিসুউচ্চ দুই ভবন। একটির নাম এইচটুও হলি ফেইথ। আরেকটির নাম আলফা স্রিন। নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের মাধ্যমে আজ শনিবার প্রথমে ধুলায় পরিণত হলো এইচটুও হলি ফেইথ। এর কয়েক মিনিট পর একই পরিণতি হয় দ্বিতীয় ভবনটির। ভারতের কেরালার কোচিতে এ ঘটনা ঘটে।


পরিবেশ আইন অমান্য করে সাগরপাড়ে গড়ে তোলা হয়েছিল চারটি বিলাসবহুল বহুতল ভবন। সুপ্রিম কোর্টের রায়ে এগুলো ভাঙার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরিবেশ আইন অমান্যকারীদের প্রতি কঠোর মনোভাব দেখানোর অংশ হিসেবে প্রশাসন ভবন চারটি ভেঙে ফেলতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞা ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় আজ নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরকের মাধ্যমে প্রথমে এইচটুও হলি ফেইথ ভবনটি ভাঙা হয়। মুহূর্তেই গুঁড়িয়ে যায় ১৯ তলা বিশিষ্ট ভবনের ৯০টি ফ্ল্যাট। আগেই সেখান থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হয়।

বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, এরপর ভাঙা হয় আলফা স্রিন টুইন টাওয়ার। বাকি দুটি ভবন আগামীকাল রোববার ভাঙা হবে। ভবন দুটি ভাঙার সময় আশপাশের দুই হাজার বাসিন্দাকে সরিয়ে নেওয়া হয়।

ভারতে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভবন নির্মাণ বহুগুণে বাড়লেও নির্মাতারা নিয়মকানুনের তোয়াক্কা করেন না এবং স্থানীয় কর্মকর্তাদের নির্দেশ উপেক্ষা করেন। আর কেউ যাতে এ ধরনের দুঃসাহস না দেখায়, সেই বার্তা দিতে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে গিয়ে ভবনগুলো ভেঙেছে।

ভবন ভাঙার সময় সাইরেন বাজানোর পাশাপাশি জনগণকে ২০০ মিটার দূরে থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়। বিপুলসংখ্যক কৌতূহলী মানুষ ভবন ভেঙে ফেলার দৃশ্য দেখতে আশপাশে জড়ো হয়। ভবন ভাঙার পর ধুলা কুণ্ডলীর মতো হয়ে চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে। এতে স্বাস্থ্যঝুঁকির শঙ্কা করছেন কেউ কেউ।

দিব্যা নামের এক নারী বলেন, ঘটনাস্থলের পাশেই তিনি থাকেন। যখন ওই বিলাসবহুল কমপ্লেক্সের সুইমিং পুল, ভবনের কিছু অংশ ভেঙে পড়তে শুরু করে, তখন তিনি সত্যিই খুব উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।

শামসুদ্দিন কারুনাঙাপাল্লি জানালেন, তিনি ১ লাখ ৪৫ হাজার ডলার দিয়ে এই কমপ্লেক্সে একটি ফ্ল্যাট কিনেছিলেন। ভবন ভাঙার এই দৃশ্য তাঁরা দেখেননি। চোখের সামনে স্বপ্ন এভাবে ধূলিসাৎ হয়ে যাওয়ার দৃশ্য দেখা খুবই হৃদয় বিদারক। কোনো ভুল ছাড়া দীর্ঘমেয়াদি ভোগান্তিতে পড়তে হলো বলে তিনি মন্তব্য করেন।